Blogger templates

Sunday, September 25, 2011

দেহের থার্মোস্ট্যাস্ট




সম্প্রতি গবেষকরা বলছেন, হাই তোলা শরীরে কেবল ক্লান্তি বা একঘেয়েমি প্রকাশ করে না বরং এটি মানুষের দেহে থার্মোস্ট্যাস্ট হিসেবে কাজ করে। কম্পিউটারের ফ্যান যেমন যন্ত্রাংশকে শীতল করে তেমনি হাই তোলার ফলে মানুষের মস্তিষ্কও শীতল হয়। খবর টেলিগ্রাফ অনলাইন-এর।


প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটির গবেষকরা জানিয়েছেন, হাই তোলার বিষয়টি হচ্ছে মানুষের শরীরের প্রাকৃতিক থার্মোস্ট্যাট। মানুষের মস্তিষ্ক যখন শীতল থাকে তখন ভালো কাজ করে। কিন্তু মস্তিষ্কে চাপ বাড়লে তথ্য আহরণ প্রক্রিয়া কমে যায়।

গবেষকরা জানিয়েছেন, মস্তিষ্ক যখন গরম হতে শুরু করে তখনই হাই ওঠে। হাই ওঠার ফলে প্রাকৃতিকভাবে মস্তিষ্কে ঠাণ্ডা বাতাস প্রবেশ করে এবং মস্তিষ্কের তাপমাত্রা ঠিক রাখে।

গবেষকরা বলছেন, গরম আবহাওয়াতে হাই তোলার ফলে খুব একটা লাভ হয় না। কারণ গরম বাতাস মস্তিষ্ক শীতল করতে ব্যর্থ হয়।

গবেষক ড. অ্যান্ড্রু গ্যালাপ জানিয়েছেন, ‘মস্তিষ্ক অতিরিক্ত গরম হলে পরে আমাদের তন্দ্রা আসে তাই যখনই ঘুম ঘুম ভাব লাগে তখন বেশি হাই ওঠে। যখনই শরীর বেশি গরম হয় তখনই ঘুম পেতে শুরু করে। সারাদিন শরীরে যে তাপমাত্রা থাকে রাতে বিছানায় যাবার পর শরীরের তাপমাত্রা তার চেয়ে বেশি হয়ে যায়; তাই রাতে ঘুম আসে।’

সূত্র: বিডিনিউজ২৪.কম

0 comments:

Post a Comment

 
Design by Free WordPress Themes | Bloggerized by Lasantha - Premium Blogger Themes | Best Web Hosting