Blogger templates

Wednesday, November 30, 2011

পিসিকে দ্রুততর করার ৫টি সহজ উপায়

undefined
কিছু কিছু সময় দেখা যায় আপনার কম্পিউটার সাধারনের চেয়েও কিছুটা কম গতিতে কাজ করে। আর বর্তমান সময় কিন্তুু এরকমই যে, আপনি খুব সহজেই আপনার কম্পিউটারকে করতে পারেন অনেক বেশি গতিময়। কম্পিউটারের গতির নিম্নমুখী গ্রাফ অনেক সময় আপনাকে বিরক্তিকর অভিজ্ঞতার সম্মুখীন করতে পারে। সেই সাথে আপনাকে পিছিয়ে দিতে পারে প্রতিযোগীতা থেকে, আর আপনার প্রোডাক্টিভিটি যে কমে যাবে, তাতে কিন্তুু সন্দেহ নেই বিন্দুমাত্র ও। প্রথম অবস্থায় ক্রয়কৃত কম্পিউটারের থেকে আপনার কম্পিউটারের গতি অনেক কম, কারন আর কিছুই নয়, বরং কম্পিউটার চালানোর এই সুদীর্ঘ অথবা নতীদীর্ঘ সময়ে আপনি আপনার পিসিতে কিছু পরিবর্তন এনেছেন। অনেক বেশি পরিমান অ্যাপ্লিকেশন, ফাইল এবং ফোল্ডার এবং নতুন নতুন ডকুমেন্টস, যা আপনি প্রতিদিন তৈরী করছেন, তা অনেক বেশি প্রভাব ফেলছে আপনার পিসিকে স্লো করার জন্য। এবার আসুন জেনে নেই এই প্রতিবন্ধকতা দূর করারই কিছু সহজ উপায়ঃ

১. স্পাইওয়্যার গুলো নিয়মিত রিমুভ করুন আর আপনার পিসিকে রাখুন ভাইরাস মুক্তঃ আপনার কম্পিউটারকে স্লো করার জন্য যে বিষয়টি সবচেয়ে বেশি কাজ করে সেটা হচ্ছে ভাইরাস আক্রমন। ভাইরাস খুব সহজেই আপনার পিসিতে ঢুকতে পারে, হয় আপনার পিসির সাথে অন্য কারো পিসির বা অন্য কোন ডিভাইসের সংযোগে বা ইন্টারনেট এর মাধ্যমে। ভাইরাসের বিপক্ষে শক্তিশালী ব্যবস্থা নিতে আপনি আপনার পিসিতে সেট আপ করতে পারেন অবশ্যই কোন শক্তিশালী অ্যান্টি ভাইরাস। মনে রাখা ভালো, অ্যান্টি ভাইরাসটি নিয়মিত আপডেট করে রাখতে হবে।

২. কম্পিউটারে ডেটা প্রবেশাধিকার রাখুন সহজ সরলঃ আপনি যখন আপনার কম্পিউটারের হার্ডডিস্কে নতুন কোন ডেটা প্রবেশ করাচ্ছেন সেটা আপানার কম্পিউটারে কষ্টকর কিছু ঝামেলার সৃষ্ঠি করছে, যার ফলাফল হচ্ছে স্লো কম্পিউটার। আপনার কম্পিউটারের হার্ডড্রাইভে ডেটা যখন গাদাগাদি করবে তখণ আপনার পিসি অটোমেটিকলি স্লো হবে। এক্ষেত্রে ডেটা প্রবেশের সময় সচেতন থাকা এবং প্রতিদিন ডিফ্রাগেমেন্টার সিস্টেমে রান চালু করে কম্পিউটারকে স্পিডি রাখা যেতে পারে। প্রতি ঘন্টায়, না হলে প্রতিদিন, না হলে প্রতি সপ্তাহে অন্তত একবার রান ডিফ্রাগেমেন্ট সিস্টেম রান করা উচিত।

৩. ডিস্কস্পেস যথাসম্ভব কমিয়ে রাখুনঃ আপনার পিসির গতির তিক্ত সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে আপনি আপনার পিসির ডিস্কস্পেস নিয়মিত খালি রেখে আপডেট থাকতে পারেন । বিভিন্ন সময়ে ব্যবহার্য ফাইল-ফোল্ডারগুলো অকাজে পড়ে থাকে, সেগুলো রিমুভ বা ডিলেট করা হয় না, যার কারনে পিসির গতি অনেক সময়ই হুমকির মুখে পড়ে। এক্ষেত্রে আপনি আপনার পিসিতে থাক ফাইল গুলো গরুত্ব অনুসারে সাজাতে পারেন। তারপর সবচেয়ে কমগুরুত্বের ফাইলটি ডিলেট করে দেখবেন আপনার পিসি কাঙ্খিত গতিতে এসছে কিনা? না আসলে তার পরেরটা ডিলেট করুন। এভাবে ডিলেট করে আপনি কাঙ্খিত গতি আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারেন। আশা করি এ পদ্ধতিতে আপনার পিসির গতি পূর্বের চেয়ে অনেক বেড়ে

৪. টেম্পোরারী ইন্টারনেট ফাইলগুলো ডিলেট করুনঃ কম্পিউটারের গতিকে ঝামেলার মধ্যে ফেলে দেবার পেছনে কাজ করা অন্যতম একটি উপকরন হচ্ছে টেম্পোরারী ইন্টারনেট ফাইল। নিয়মিত এই ফাইলগুলো ডিলেট করে, পরবতর্ীতে রি-সাইক্লিং বিন থেকেও মার্জ করে আমরা আমাদের পিসির গতি অনেক বাড়িয়ে দিতে পারি। ডিস্ক স্পেস বাড়িয়ে দিয়ে এ পদ্ধতি আপনার পিসির গতি অনেক বাড়িয়ে দেবে এটা আমাদের বিশ্বাস। যাবে।

৫. হার্ডডিস্ক স্পেসের আয়তন সীমাবদ্ধ করুনঃ আপনার পিসিকে গতিময় করতে অন্যতম একটি সাধারন পদ্ধতি হচ্ছে হার্ডডস্ক স্পেসের আয়তন সীমিত করা। ইচ্ছাপূর্বক হার্ডডিস্ক স্পেস সীমিত করে রাখলে অযথা ফাইল ফোল্ডার রাখার সম্ভাবনা কমে যাবে, সেই সাথে টেম্পোরারী ইন্টারনেট ফাইল রাখতেও আমরা পুনরায় ভাববো। এভাবে আমাদের ছোট খাটো, সচেনতাই কিন্তু পারে আমাদের প্রিয়, সবসময়ে দরকারী আমাদের পিসিগুলোকে গতিময় রাখতে।

0 comments:

Post a Comment

 
Design by Free WordPress Themes | Bloggerized by Lasantha - Premium Blogger Themes | Best Web Hosting